Subscribe For Free Updates!

We'll not spam mate! We promise.

বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০১৫

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (দ্বিতীয়-খণ্ড) কিওয়ার্ড বিশ্লেষণ পদ্ধতি - তৃতীয় অধ্যায়



এখানে আমাদের যে কাজগুলো করতে হবেঃ
ü      পে পার ক্লিক (পিপিসি) ক্যাম্পেইন পরিচালনা।
ü      পে পার ক্লিক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কিওয়ার্ড পরীক্ষা।
ü      পে পার ক্লিক এর মাধ্যমে আপনার ব্র্যান্ড নির্মাণ করা।
ü      নিম্ন ক্লিক রেইট এর কিওয়ার্ড ছাঁটাই।
ü      কম খরচে অরগানিক রেঙ্কিং বৃদ্ধি।


 পূর্বে প্রকাশিতঃ দ্বিতীয় অধ্যায়

 পূর্বে প্রকাশিতঃ প্রথম অধ্যায়


পে পার ক্লিক (পিপিসি) / Pay Per Click (PPC) বিজ্ঞাপন ক্রয় করা আপনার এস ই ও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে। আমরা প্রথম খণ্ডেই পড়েছিলাম যে, সার্চ রেজাল্ট দুই প্রকার, অরগানিক এবং পেইড। অরগানিক রেজাল্ট আপাতদৃষ্টিতে বিনামূল্যে হয়ে থাকে। আর পেইড রেজাল্টে সাইট প্রদর্শনের জন্য সাইট এর এডমিন গুগোলকে টাকা দিয়ে থাকে। কোন একটি নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড এর উপর যখন কোন সাইট এর এডমিন পিপিসি এড ক্রয় কর, তখন তার সাইট পেইড রেজাল্টে (Sponsored Links) প্রদর্শন করে। এই ব্যাপারটি অনেকটা সহজেই লাফ দিয়ে উঠে যাওয়ার মত।
 
পেইড এড কেনার জন্য আপনাকে গুগোল এডওয়ার্ডসে যেতে হবে। এড কেনার পদ্ধতিটি আপনার এই বইয়ের প্রথম খণ্ডের পঞ্চম অধ্যায়ে দেখেছি। এখানে আপনার কাঙ্খিত কিওয়ার্ড/সার্চ কুয়েরিটি নির্বাচন করে একটি ক্যাম্পেইন প্লেস করুন এবং বিড করুন। এখানে গুগোল ট্র্যাক করবে আপনার এড গুলো কতবার ইউজার এর কাছে প্রদর্শন হচ্ছে, অর্থাৎ নাম্বার অফ ইম্প্রেশন। এবং কত বার ইউজার এডে ক্লিক করছে, অর্থাৎ নাম্বার অফ ক্লিক। এভাবে Click Through Rate (CTR) নির্বাচন করবে। সিটিআর এর সুত্র হচ্ছেঃ CTR = Click / Impression

অর্থাৎ ধরুন আপনার সাইট এর বিজ্ঞাপনটি ১০০০ জন এর কাছে প্রদর্শন করা হোল। তাদের মধ্যে ২৩৭ জন ক্লিক করে আপনার সাইটে ঢুকল। আপনার সাইটের,

Click = 237, Impression = 1000
CTR = 237/1000 = 0.237


আবার, আরেকটি সাইটের বিজ্ঞাপন ৩২৫ জনের কাছে প্রদর্শন করা হয়েছে তাদের মধ্যে ১১২ জন ক্লিক করে সাইটে প্রবেশ করেছে। তাহলে তার সাইটের,

Click = 112, Impression = 325
CTR = 112/325 = 0.344


অর্থাৎ, তার ইম্প্রেসন এবং ক্লিক দুইটিই আপনার থেকে কম হলেও ক্লিকের হার (CTR) আপনার সাইট থেকে বেশী। যদিও, পেইড এড এর ক্ষেত্রে যে বেশী টাকা বিড করবে তার এড উপরে প্রদর্শন করবে, কিন্তু এই ক্লিক রেইট বেশী হলে আপনার অরগানিক রেঙ্কিং বৃদ্ধি পাবে।



[যদিও, এখন পর্যন্ত ক্লিক রেইট বেশী হলে গুগোল অরগানিক রেংকিং বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু আমার  ব্যাক্তিগত ধারনা হোল, কোন এক সময় হয়তো গুগোল স্বার্থপর চিন্তা করে এই বিষয়টি না ও করতে পারে। অর্থাৎ আমি (কাজী নিশাত) গুগোল এর জায়গায় হলে যা করতাম। গুগোল চিন্তা করবে, পেইড এড সেবা গ্রহণকারীদের অরগানিক রেঙ্কিং বাড়ালে তারাতো আর পেইড বিজ্ঞাপন ক্রয় করবে না। তাই তাদের রেঙ্কিং না বাড়ালেই গুগোল আজীবন আয় করে যেতে পারবে। আমি আবারও বলছি, এটি সম্পূর্ণ আমার ব্যাক্তিগত মতামত। এর কোন তথ্যসুত্র নেই। এই মতামত এর কোন দায়ভারও আমি গ্রহন করবো না। আমি শুধুমাত্র আমার ধারনাটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম]
  

আমার ইচ্ছা আছে এই সিরিজটি (মাষ্টার অফ এস.ই.ও) শেষ হলে আরেকটি নতুন সিরিজ "মাষ্টার অফ এস.ই.এম" শুরু করা। সেটিতে শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) নিয়ে বিশদ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

এই অধ্যায়ে আমরা এস.ই.এম নিয়ে শিখছি শুধুমাত্র আমাদের এস.ই.ও এর কাজে সাপোর্ট পাওয়ার জন্য।



ü      পে পার ক্লিক (পিপিসি) ক্যাম্পেইন পরিচালনা




আপনার সাইটের অরগানিক রেঙ্কিং এর কিওয়ার্ড বিশ্লেষণে জন্য পিপিসি যেভাবে সাহায্য করবেঃ

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০১৫

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (দ্বিতীয়-খণ্ড) কিওয়ার্ড বিশ্লেষণ পদ্ধতি - দ্বিতীয় অধ্যায়




এখানে আমাদের যে কাজগুলো করতে হবেঃ
  •  সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন।
  •  সাইট এর বিষয়বস্তুর সাথে কিওয়ার্ড এর তুলনা।
  • বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরি নির্ণয়।
  • উচ্চ ট্রাফিক এবং উচ্চ কনভার্সন কিওয়ার্ড গ্রহন।
পূর্বে প্রকাশিতঃ প্রথম খণ্ড
 

শনিবার, ২ আগস্ট, ২০১৪

ওয়েবসাইটে ভিজিটর আছে, আয় নেই। আসুন সমাধান করি

বর্তমান প্রযুক্তির যুগে অনালাইনে একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট, বাড়ি-গাড়ির মত একটি সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ইন্টারনেট ব্যাবহারকারি মাত্রই চায় একটি ওয়েবসাইট এর মালিক হতে। ওয়েবসাইট আপনার ভার্চুয়াল পৃথিবী। এখানে আপনি যাবতীয় তথ্য প্রচার করতে পারবেন। আপনার পছন্দমত পদ্ধতিতে যেকোনো বিষয়বস্তু তুলে ধরতে পারবেন।

একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি লাগে?
অনেকেই জানে না যে, ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি লাগে। প্রথমত লাগে ডোমেইন, ধরুন ফেসবুকের ওয়েবসাইট www.facebook.com এর এই নাম / লিঙ্কটি হচ্ছে ডোমেইন নেইম। এই সতন্ত্র নামের মাধ্যমে ব্যাবহারকারি সাইটকে অগনিত সাইট থেকে আলাদা করে। এটি নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে যেকোন ডোমেইন প্রভাইডার কোম্পানি থেকে কিনে নেয়া যায়। যে নামগুলো এখনো ব্যাবহার হয়নি, সেগুলো থেকে একটি আপনি পছন্দ করে আপনার নামে মালিকানা নিয়ে নিতে পারবেন। এই মালিকানা ধরে রাখার জন্য প্রতি বছর একটি বাৎসরিক ফি প্রদান করে আপনার ডোমেইন নাম রিনিউ করে নিতে হয়। (টাকা ছাড়াও ফ্রী টি সাব-ডোমেইন এবং কোন কোন কোম্পানি এর মুল ডোমেইনও পাওয়া যায়। কাজ শেখার জন্য ফ্রী ডোমেইন ভালো, কিন্তু পেশাগত ব্যাবহার এর জন্য কিনে নেয়াই উচিত। ফ্রী ডোমেইন এ কিছু সমস্যা ও সিমাবদ্ধতা রয়েছে)  নাম তো হয়ে গেল, সাইট কোথায়। আপনার মোবাইলে/কম্পিউটার এর একটি গান রাখতে যেমন মেমোরি প্রয়োজন, তেমনি আপনার ওয়েবসাইট সংরক্ষিত রাখার জন্যও একটি হোস্টিং স্পেস বা যায়গা প্রয়োজন। এই স্পেস আপনি কোন হোস্টিং কোম্পানি থেকে কিনে নিতে পারেন। আপনি চাইলে একই কোম্পানি থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে পারেন। আলাদা আলাদা ও কিনতে পারেন। অনেক ভুয়া ও প্রতারক ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানিও বাজারে রয়েছে। তাই যাচাই করে কেনাই ভালো।  (টাকা ছাড়া ফ্রী হোস্টিংও পাওয়া যায়। এক্ষেত্রেও কাজ শেখার জন্য ফ্রী হোস্টিং ভালো, কিন্তু পেশাগত ব্যাবহার এর জন্য কিনে নেয়াই উচিত। ফ্রী হোস্টিং এ ও কিছু সমস্যা,সিমাবদ্ধতা রয়েছে)। আচ্ছা, ডোমেইন হোস্টিং হোল। এবার সাইট ডিজাইন করার পালা। যেকোনো ওয়েব ডিজাইনার দিয়েই আপনি আপনার সাইট ডিজাইন করিয়ে নিতে পারেন। আপনার সাইট যদি স্ট্যাটিক হয়, অর্থাৎ এখানে কোন হিসাব নিকাশ না থাকে, তাহলে ডিজাইন করা সাইটটি সরাসরি হোস্টিং এ প্রকাশ করে দিতে পারেন। আর যদি হিসাব নিকাশ, অ্যাকাউন্ট ব্যাবস্থাপনা ইত্যাদির কাজ থাকে। তাহলে অবশ্যই আপনাকে একজন ওয়েব ডেভেলপার এর সাহায্য নিতে হবে। আপনার সম্পূর্ণ প্রকল্পের উপর বাজেট নির্ভর করবে।

উপরের যেকোনো সার্ভিস এর জন্য আপনি চাইলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাকে ফেসবুকে এড করে  যোগাযোগ করতে পারেন।। এছাড়াও আমার প্রোফাইলে মোবাইল নাম্বার দেয়া আছে।

সাইট তৈরি হয়ে গেল, কিন্তু আপনার সাইটে কেউ আসে না। এখন কি করবেন? বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডেকে ডেকে ভিজিটর আনবেন? অবশ্যই না।
সার্চ ইঞ্জিন থেকে নিয়মিত ভিজিটর পেতে হলে সাইটের অবশ্যই এস ই ও করতে হবে। আমার এই ব্লগে এস ই ও এর একটি ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল আমি নিয়মিত প্রকাশ করছি। আপনি চাইলে ধীরে ধীরে এটি পড়েও এস ই ও শিখতে পারেন। শিখে শিখে এস ই ও করা অনেক দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, তাই আপনি নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে চুক্তির ভিত্তিতে একজন এস ই ও কনসালটেন্ট হায়ার করতে পারেন। চাইলে আমার সাথেও যোগাযোগ করতে পারেন।

এস ই ও করা ছাড়া, সরাসরি ফ্রী ভিজিটর পাওয়ার কয়েকটি উপায় আমি পূর্বের এই পোস্ট এ প্রকাশ করেছিলাম।

যেকোন পদ্ধতি ব্যাবহার করে আপনি অনেক ভিজিটর পেলেন। এবার আমরা এই পোস্ট এর মুল বিষয়ে যাই। এতো ভিজিটর দিয়ে কি করবেন আপনি? যদি আপনার সাইট পণ্য / সেবা বিক্রয় সঙ্ক্রান্ত হয়, তাহলেতো আপনি সেটি বিক্রয় করে আয় করবেন। আর যদি না হয়? ধরুন অনলাইন পত্রিকার সাইট বা অনন্য তথ্যভিত্তিক ব্লগ ইত্যাদি। এই সাইট এ যে ভিজিটররা আসছে, তাদের মাধ্যমে আয় করার একমাত্র উপায় সাইট এ বিজ্ঞাপন প্রকাশ।

Website Advertisement


বিজ্ঞাপন কোথায় পাবেন?

প্রথমত আপনি নিজের কোন পণ্য থাকলে তার বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। আপনার যদি একটি মোবাইল দোকান থাকে, আর একটি সাইট (অসংখ্য ভিজিটরসহ) থাকে, তাহলে আপনার সাইটে কয়েকটি মোবাইল এর বিজ্ঞাপন (ছবিসহ) দিতে পারেন। সেখান থেকে কেউ কল করে আপনার কাছ থেকে মোবাইল কিনতে পারে। বিক্রয় এর আয় সবসময় পরিষ্কার আয়ের মাধ্যম।

সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০১৪

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (দ্বিতীয়-খণ্ড) কিওয়ার্ড বিশ্লেষণ পদ্ধতি - প্রথম অধ্যায়

প্রথমে আমাদের যে কাজগুলো করতে হবেঃ
  •  আপনার সাইটের মুল বিষয়বস্তু পরিষ্কার করতে হবে।
  • কিওয়ার্ড বাছাইয়ে মনোনিবেশ করতে হবে।
  • সম্পর্কিত কিওয়ার্ডগুলো নির্ণয় করতে হবে।
  • কিওয়ার্ড নিয়ে গবেষণা

পূর্বে প্রকাশিতঃ প্রথম খণ্ড 

এই অধ্যায়ে, তথা এই খণ্ডে আমরা কিওয়ার্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। এস ই ও করতে গেলে কিওয়ার্ড অবশ্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি আগের অধ্যায়ে বলেছিলাম যে, এস ই ও এর তিনটি প্রধান বিষয় হচ্ছে কিওয়ার্ড, কিওয়ার্ড এবং কিওয়ার্ড। সার্চ ইঞ্জিন কোন সার্চ কুয়েরিতে আপনার সাইট কে প্রদর্শন করবে সেটি নির্ভর করবে আপনার সাইটের কোন কোন কিওয়ার্ড গুগল ইনডেক্স করেছে তার উপর। মনে করি, আপনার সাইট একটি সাবান বিক্রয়ের সাইট। একজন ইউজার টিস্যু পেপার লিখে সার্চ করে আপনার সাইট পেলো। এই ভিজিটরকে দিয়ে আপনার কোন লাভ হবে না, কারন এই ভিজিটর সাবান কিনবে না। আবার সে ও টিস্যু পেপার এর পরিবর্তে সাবান পেয়ে বিরক্ত হয়ে খুব দ্রুত বের হয়ে যাবে। এই খুব দ্রুত বের হয়ে যাওয়াকে বাউন্স বলে। আপনার সাইটের বাউন্স রেইট (মোট ভিজিটর ÷ ১০০ × বাউন্সড ভিজিটর) যত বেশি হবে। রেংকিং কমার সম্ভাবনা ততই বাড়বে। বিশেষ করে যখন একজন ভিজিটর আপনার সাইটে প্রবেশ করে আবার ব্যাক বাটনে চাপে এবং রেজাল্ট পেইজ (SERP) থেকে অন্য একটি ফলাফলে ক্লিক করে, তখন এটি আপনার সাইটের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই, আপনার সাইট এর কিওয়ার্ড বাছাই করার ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

কাজটি খুবই সহজ। যে বিষয়গুলোতে বেশি সার্চ হয়, যেমন এখন ফিফা ওয়ার্ড কাপ নিয়ে অনেক বেশি সার্চ হচ্ছে। আপনি এই বিষয়ে একটি সাইট বানিয়ে ফেলুন, তারপর এই কিওয়ার্ড এর উপর এস ই ও করুন। তাহলেই সফল হতে পারবেন। তাই না?

অনেককেই আমি এরকম করতে দেখেছি। কিন্তু, এই কাজের ব্যর্থতা নিশ্চিত। কখনোই কিওয়ার্ড অনুযায়ী সাইট এর বিষয় পরিবর্তন করবেন না। সাইট সাইটের আপন গতিতে চলবে, আপনি তার বিষয়বস্তু অনুযায়ী কিওয়ার্ড গুলো নির্বাচন করুন। যেমন, আপনার সাবান এর সাইট এর জন্য আপনি কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে পারেনঃ soap, cloth soap, perfumed soap ইত্যাদি। এছাড়াও সাবান এর আরও যেসব ইংরেজি প্রতিশব্দ জনপ্রিয়, সেগুলোও ব্যাবহার করতে পারেন।


ও ক্ষেত্রে শুধু আপনার সাইটের বিষয়ের দিকে নজর দিলেই হবে না। ইউজার কি লিখে সার্চ করে, অর্থাৎ সার্চ কুয়েরি এর দিকেও নজর দিতে হবে। ধরি, আপনার একটি অটোমোবাইল শপ আছে। যার নাম হাউকাউ অটোমোবাইলস। যেখানে নতুন-পুরাতন গাড়ি, গাড়ির পার্টস ইত্যাদি ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। এখন আপনি কিওয়ার্ড নিলেন New Automobiles, Old Automobiles, Automobiles Parts ইত্যাদি। এখন দেখা যাবে যে, খুব কম ইউজারই Automobiles জাতীয় কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করে। অধিকাংশ গ্রাহক সার্চ করে এভাবে, Buy a Car, Car Parts, Old Car, Classic  Car, Repair Car ইত্যাদি লিখে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে, Car সম্পর্কিত কিওয়ার্ড দিয়ে যারা সার্চ করেছে, এরা সবাই আপনার কাঙ্ক্ষিত গ্রাহক। কিন্তু, ভুল কিওয়ার্ড নির্বাচনের কারনে গুগল Car সম্পর্কিত সার্চ কুয়েরিতে আপনার সাইট প্রদর্শন করছে না। ফলে আপনি খুব ভালো এস ই ও করেও কাঙ্ক্ষিত গ্রাহক পাচ্ছেন না।

তাই, প্রথমত আপনাকে আপনার সাইট এর মুল বিষয়বস্তু এবং বিষয়বস্তুর সাথে সম্পর্কিত কিওয়ার্ড এর একটি তালিকা তৈরি করতে হবে। এই তালিকায় প্রয়োজনীয় কিওয়ার্ড গুলো লিপিবদ্ধ করার পর প্রত্যেকটি কিওয়ার্ড এর অনেকগুলো সমার্থক শব্দ (Synonyms) সংগ্রহ করতে হবে। এবার সমার্থক শব্দগুলোকে জনপ্রিয়তা অনুসারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সাজাবেন।

দ্বিতীয়ত, এগুলো থেকে সম্ভাবনাময় কিওয়ার্ড বাছাই করবেন। আপনি আপনাকে বলছি না যে, আপনি ১০-১৫ টি কিওয়ার্ড সংগ্রহ করুন। আমি বলছি যে, ১০০-৫০০ (সম্ভব হলে আরও বেশি) সম্পর্কযুক্ত কিওয়ার্ড সংগ্রহ করুন। সেগুলো থেকে ১০-১৫ টি বাছাই করুন।

ধরুন, আপনাকে আমার PDF Tutorial Zone সাইটটির জন্য কিওয়ার্ড এনালাইসিস করার জন্য বলা হয়েছে। আপনি কি করবেন?
প্রথমে চিন্তা করুন, এই সাইট কিসের সাইট? কি সেবা প্রদান করে? উত্তর, এটি একটি PDF ফাইল ডাউনলোড সাইট, এখান থেকে বাংলা এবং ইংরেজি PDF ফাইল ডাউনলোড করা যায়। এই সাইট এর এডমিন এর উদ্দেশ্য কি ? PDF ফাইলগুলো কি ইউজার কে কিনে নিতে হয়? উত্তর, না। এটি সম্পূর্ণ ফ্রী ডাউনলোড সাইট। এখানে সাইট এর এডমিন শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে আয় করে থাকে।

দেখুন, আমরা কিন্তু কিছু কিওয়ার্ড পেয়ে গেছি। যেমন, PDF, Download, Free,  Bangla, English ইত্যাদি। আমরা এখানে চর্চা করছি, তাই অল্প কয়েকটি কিওয়ার্ড নিলাম। এবার এগুলোর সমার্থক শব্দ দিয়ে টেবিল / ছক তৈরি করি। অনেকে মনে করে যে, সমার্থক শন্দ বোধহয় সম্পূর্ণ একই অর্থ প্রকাশ করে। এটি ঠিক না। সমার্থক শব্দ কাছাকাছি অর্থও প্রকাশ করে।

কিওয়ার্ড
সমার্থক শব্দসমূহ
PDF
PDF, E-Book, Tutorial
Download
Download, Collect, Take, Get
Free
Free
Bangla, English
Bangla, English


এখানে আমি অল্প কয়েকটি দিয়ে ছক সাজিয়ে শুধুমাত্র পদ্ধতিটি দেখিয়েছি। এভাবেই ২০০-৫০০ কিওয়ার্ড সংগ্রহ করবেন। এবার এগুলো দিয়ে কিছু সার্চ কুয়েরি সাজাবেন (যেগুলোতে আপনি আপনার সাইট উপরে আনতে চান) এবং নোট করবেন।
যেমন, উপরের ছক থেকে আমি সার্চ কুয়েরি সাজিয়েছি
Free E-Book Download, Get Free PDF, Bangla Tutorial Download ইত্যাদি। এই ধরনের টেক্সট লিখে সাধারণত ইউজার সার্চ করে থাকে। এখানে E-Book থেকে EBook অনেক শক্তিশালী কিওয়ার্ড। কারন, সার্চ করার সময় - খুব কম সংখ্যক লোকই ব্যাবহার করে। কোন কিওয়ার্ডটি শক্তিশালী, সেটি দেখার জন্য google.com/trends এ যাবেন। এখানে উপরে যে সার্চ বক্সটি আছে, সেখানে কিওয়ার্ড / সার্চ কুয়েরি লিখে সার্চ করবেন। এখানে আমি E-Book লিখে সার্চ করছি,


উপরের চিত্রে দেখুন। গত কয়েক বছরে E-Book  কিওয়ার্ডটির জনপ্রিয়তা শুধু নিচের দিকে নামছে, জুন ২০১৪ তে এই কিওয়ার্ডটির জনপ্রিয়তা মাত্র ১৬%। নিচের তালিকাতে দেখা যাচ্ছে কোন কোন দেশে এটি বেশি জনপ্রিয়। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হাঙ্গেরিতে। আপনি যদি হাঙ্গেরি এর জন্য কোন সাইট এর এস ই ও করেন, সেক্ষেত্রে এই কিওয়ার্ডটি ব্যাবহার করতে পারেন। এবার আমরা সার্চ করবো EBook  কিওয়ার্ডটি নিয়ে। এটিতে জুলাই মাসে কত % সার্চ হয়েছে, সেটি দেখে আমরা বুঝতে পারবো এটি E-Book কিওয়ার্ডটি থেকে শক্তিশালী নাকি দুর্বল?

রবিবার, ২৯ জুন, ২০১৪

আয় করুন বিটকয়েন

বিটকয়েন কি?

বিটকয়েন হচ্ছে এক ধরনের সাংকেতিক মুদ্রা (Virtual Currency) যেটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়ে থাকে। এটি লেনদেন নিয়ন্ত্রণ এর জন্য কোন প্রতিষ্ঠান নেই। এটি সম্পূর্ণ একটি ওপেনসোর্স প্রোজেক্ট। সাতোশি নাকামোতো নামে একজন ভদ্রলোক ২০০৮ সালে এই মুদ্রা আবিস্কার করেন। এই মুদ্রাকে তিনি পিয়ার-টু-পিয়ার নামে অবিহিত করেন। বিটকয়েন মাইনার নামে এক ধরনের সার্ভারে এর যাবতীয় লেনদেন সংরক্ষিত থাকে।  যেকোন কম্পিউটার থেকে এর লেনদেন করা হলে এর কেন্দ্রীয় সার্ভারে তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ (Automatic Update) হয়ে থাকে। বর্তমানে এর জনপ্রিয়তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি পেপাল, পাইজা, পারফেক্টমানি এর মত পেমেন্ট প্রসেসর হিসেবে ব্যাবহিত হচ্ছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট, এমনকি অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানও বিটকয়েন এ পেমেন্ট করছে।

বিটকয়েন


বিটকয়েন মাইনার এর মাধ্যমে বিটকয়েন উৎপন্ন করা যায়। প্রয়োজনীয় হার্ডওয়ার এবং সফটওয়্যার এর মাধ্যমে যে কেউ বিটকয়েন উৎপাদন করতে পারে। উৎপাদিত বিটকয়েন গ্রাহকের ডিজিটাল ই-ওয়ালেট (অ্যাকাউন্ট) এ সংরক্ষিত থাকে। 

রবিবার, ৮ জুন, ২০১৪

অনলাইনে আয় করতে পারছেন না? শেষ চেষ্টা করুন

সুপ্রিয় ফ্রিল্যান্সার বন্ধুরা,
এস ই ও নিয়ে ৭ টি পোস্ট দেয়ার পর আবারো এসেছি অনলাইনে আয় নিয়ে। আমি অনেকগুলো সাইট এ কাজ করার পদ্ধতি আপনাদের দেখিয়েছি। আমি প্রায়ই বলি যে, নেট এ অনেক গুলো স্ক্যাম সাইট আছে, যেগুলো অ্যাকাউন্ট এ ব্যাল্যান্স দেখায় কিন্তু সত্যিকার অর্থে টাকা প্রদান করে না। আবার অনেকগুলো সাইট এ মিনিমাম পেআউট অনেক বেশী হওয়ার কারনে অনেকেই কয়েকদিন কাজ করে বিরক্ত হয়ে ছেড়ে দেয়। কারন, টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা না থাকলে কাজ করার আগ্রহ থাকে না। তাই, আমি অনেকগুলো সাইট এ কাজ করে মিনিমাম পেআউট টাচ করে তার পর আপনাদের সাথে শেয়ার করি। আমি যখন টাকা পাই, তখন বুঝতে পারি যে, সাইটটি টাকা দেয়।
 
অনলাইনে আয় করুন


আমার পূর্বে একটি পোস্ট ছিল প্রতিমাসে ১২০০ টাকা আয় সংক্রান্ত। এই সাইটটি থেকে আমি টানা ৫ মাস ১২০০ টাকা করে আয় করেছি। কিন্তু, গত এপ্রিল মাস (২০১৪) থেকে এই সাইটটি আমাকে আর টাকা দিচ্ছিলনা। পেমেন্টটি আটকে দিয়েছিলো। তারপর এই মাসে আমার রেফারেল এ একটি শেয়ার বিক্রয় হওয়ার পর আমাকে পেমেন্ট করেছে। তার মানে এই না যে আপনারাও পেমেন্ট পাবেন না। আপনারা খেয়াল করলে একটি বিষয় দেখবেন যে, আমি এমন সব সাইট শেয়ার করি, যেগুলোতে বিনিয়োগ করা লাগে না। আপনার কষ্ট-উপার্জিত অর্থ যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্যই আমার এই প্রয়াস। আমি অনলাইনে যত সাইটে আমি কাজ করেছি, সবচেয়ে সহজে বেশী টাকা আয় করেছি আমি এই সাইট থেকে। এই কোম্পানির আরও কয়েকটি সাইট আছে। যেগুলো এখনও আমাকে টাকা দিচ্ছে। তবে এগুলোও যেকোনো সময় বন্ধ করে দেবে না, এরকম গ্যারান্টি আমি দিতে পারছি না। যেহেতু আপনার ইনভেস্ট নেই, তাই অপ্রয়োজনীয় সময় কাজে লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

শুক্রবার, ৩০ মে, ২০১৪

সার্চ ইঞ্জিনের কার্যপ্রণালী-প্রতিযোগিতা

আপনাদের অত্যন্ত উৎসাহের ফলাফলস্বরূপ আমি আমার ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল "মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ" এর প্রথম খণ্ড "সার্চ ইঞ্জিনের কার্যপ্রণালী" সম্পূর্ণ করেছি। ৬ অধ্যায়বিশিষ্ট এই ই-বুকটিতে সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে ধারনা দেয়া হয়েছে। ১০০ পৃষ্ঠার এই ই-বুকটির ফাইল সাইজ ৫ এমবি থেকেও কম। এখনি ডাউনলোড করে নিতে পারেন এখান থেকে। এর প্রত্যেকটি অধ্যায় আগে প্রকাশিত হয়েছে।




প্রতিযোগিতা
এই বইটির প্রথম খণ্ডের সবগুলো অধ্যায় যারা পড়েছেন, তাদের মধ্যে আমি ছোট্ট একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের জন্য এই ফর্মটি পুরন করুনঃ

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী - ষষ্ঠ অধ্যায়

আমরা আগের (পঞ্চম অধ্যায়ে)  যা যা করেছিলামঃ
  • সার্চ ইঞ্জিনে পেইড প্রোগ্রাম ব্যাবহার করা শিখেছি।
  • একটু ব্যাতিক্রমভাবে সার্চ এবং অ্যাডভান্সড অপারেটর ব্যাবহার করেছি।
  • ভার্টিকেল সার্চ ইঞ্জিনে নির্দিষ্ট ধরনের ফাইল টাইপ (Extension) খুজে বের করেছি।
  • উচ্চ ট্রাফিক এবং উচ্চ কনভার্সন এর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করেছি।
 অধ্যায় -৬ (শেষ অধ্যায়)


 স্প্যামঃ সার্চ ইঞ্জিনের সাথে প্রতারনা
ü      বিভিন্ন ধরনের স্প্যামিং সম্পর্কে ধারনা অর্জন করা।
ü      স্প্যামিং করার ফলাফল।
ü      নিশ্চিত ফলাফল এবং অন্যোন্য ভুয়া প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে সতর্কতা।

প্রথমেই আমি জানিয়ে দিচ্ছি যে, এটি আমার "মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ" এর প্রথম খণ্ড "সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী" এর শেষ অধ্যায়। এই খণ্ডে আশা করি আপনারা সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে কিছুটা ধারনা অর্জন করেছেন। এর দ্বিতীয় খণ্ড হবে "কিওয়ার্ড বিশ্লেষণ পদ্ধতি"।
এই অধ্যায়ে আমরা স্প্যাম নিয়ে আলোচনা করবো। আমরা জানি যে, এস ই ও এর দুইটি অংশ। অন পেইজ এবং অফ পেইজ। এবার আমরা একটু প্রকারভেদ এর দিকে যাই। এস ই ও দুই প্রকার। সাদা টুপি (White Hat SEO) এবং কালো টুপি (Black Hat SEO)।

সাদা টুপি বা হোয়াইট হ্যাট এস ই ও হচ্ছে, যে পদ্ধতিতে গুগোল এর সকল নীতিমালা মেনে সম্পূর্ণ বৈধভাবে একটি সাইটকে প্রথম পেইজে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে এস ই ও বলতে হোয়াইট হ্যাট এস ই ও কেই বোঝাই। হোয়াইট হ্যাট এস ই ও অনেক কষ্টকর। কিন্তু, এটি ঝুঁকিমুক্ত। এর ঠিক বিপরীত হোল ব্ল্যাক হ্যাট বা কালো টুপি এস ই ও। সহজ বাংলায় বললে, এটি হচ্ছে চুরি বা প্রতারনা। যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন মানুষ নয়, তাই এর সাথে বিভিন্নভাবে প্রতারনা করার সুযোগ রয়েছে। এই প্রতারনা পদ্ধতিগুলোর মধ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি হচ্ছে স্প্যামিং। আমি পূর্বে স্প্যামিং নিয়ে সামান্য বলেছিলাম। স্প্যামিং করে খুব সহজেই একটি সাইটকে গুগোল এর প্রথম পেইজে নিয়ে আসা যায়। কিন্তু, যদি একবার সেই কৌশল গুগোল এর কাছে ধরা পরে, তবে গুগোল তাকে কালো তালিকায় (Black List) ফেলে দেয়। ওই সাইটকে গুগোল এর ইনডেক্স থেকে মুছে ফেলে। যে সাইট একবার গুগোল এর কালো তালিকায় পড়ে যায়, তার পতন নিশ্চিত। আমরা এখানে কয়েকটি জনপ্রিয় স্প্যামিং পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবো। বুঝতে পারবো যে, কোন কোন কাজকে সার্চ ইঞ্জিন স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত করে।

ü      আমাদের বুঝতে হবে কোনটি স্প্যামিং
একটু ভেবে দেখুনতো, এস ই ও এর কাজ করার আগে আপনি স্প্যাম (spam) শব্দটি কোথায় দেখেছেন? মনে পড়েছে? হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। আপনার মেইল এড্রেস এর ইনবক্স এর মত আরেকটি অপশন হোল স্প্যাম। আমরা একটু বাস্তব জীবনে ফিরে আসি। প্রতারনা কাকে বলেন আপনি? যখন কোন একটি বিষয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে কেউ স্বার্থ আদায় করে নেয়, তাকে আপনি প্রতারক বলেন। তাই না? আমরা সবাই চাই খারাপ বিষয়গুলো থেকে বেছে ভালো বিষয়গুলো গ্রহন করার জন্য। আপনার ইনবক্সও তেমনি, আপনার কাছে আগত মেইলগুলো থেকে যেগুলোকে আপনার অপ্রয়োজনীয় মনে করে, সেগুলোকে আলাদা করে স্প্যাম ফোল্ডার এ ফেলে দেয়। এখানে উল্লেখ্য যে, স্প্যাম ফোল্ডার এর মেইলগুলো নির্দিষ্ট সময় পড়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। সার্চ ইঞ্জিন স্প্যাম (একে spamdexing) ও বলা হয়) হোল ওই পদ্ধতি, যেটি ব্যাবহার করে সার্চ ইঞ্জিনকে কোন একটি সাইট সম্পর্কে ভুল বুঝিয়ে সাইটের গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়া হয়। এটি অভ্যন্তরীণ (On Page) এবং বাহ্যিক (Off Page) উভয় প্রকারের হতে পারে। এটি সরাসরি সার্চ ইঞ্জিনের নীতিমালার বিরোধী হতে পারে, আবার সামান্য ত্রুটিপূর্ণও হতে পারে। কি উদ্দেশ্যে এটি ব্যাবহার করা হয়েছে এবং এর পরিব্যাপ্তি কতটুকু, তার উপর নির্ভর করে সার্চ ইঞ্জিন এটিকে বিচার করবে।
 

রবিবার, ১১ মে, ২০১৪

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী - পঞ্চম অধ্যায়

আমরা আগের (চতুর্থ) অধ্যায়ে যা যা করেছিলামঃ

  • আপনার সত্যিকারের চাহিদা অনুযায়ী ট্রাফিক এর সন্ধান করেছি।
  • স্প্যাম এর ক্ষতিকর দিক গুলো জেনেছি।
  • বিহেবিওরাল সার্চ যেভাবে রেংকিং এ প্রভাব ফেলে, তা সম্পর্কে ধারনা পেয়েছি।
  • ইনটেন্ট-ড্রাইভেন সার্চ এর সাথে পরিচিত হয়েছি।
  • আপনার সুবিধায় ভার্টিকেল সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহার এর পদ্ধতি জেনেছি। 
  • লোকাল সার্চ রেজাল্ট এ অবস্থান গ্রহন এর ফর্মুলা পেয়েছি।
 জেনে নিন সার্চ রেজাল্টকে কিভাবে পরিচালনা করা হয়। 
  • বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে পেইড প্রোগ্রাম ব্যাবহার করা।  
  • সাধারণ ইউজার থেকে একটু ব্যাতিক্রমভাবে সার্চ করা। 
  • আপনার এস ই ও তে পরিবর্তন আনার জন্য অ্যাডভান্সড অপারেটর।
  • ভার্টিকেল সার্চ ইঞ্জিনে নির্দিষ্ট ধরনের ফাইল টাইপ (Extension) খুজে বের করা। 
  • উচ্চ ট্রাফিক এবং উচ্চ কনভার্সন এর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারা।  
  • দীর্ঘমেয়াদীভাবে অগ্রসর হওয়ার জন্য কনভার্সন গ্রহনের প্রয়োজনীয়তা।


প্রথমেই আমরা এস ই ও এর ধাপগুলোর একটি হাইলাইটস দেখি। 

সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৪

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী - চতুর্থ অধ্যায়

আমরা আগের (তৃতীয়) অধ্যায়ে যা যা করেছিলাম
  • সার্চ ইঞ্জিন এর রেজাল্ট পেইজ পরিচিতি (বিস্তারিত)
  • সোনালী ত্রিভুজ (Golden Triangle)সম্পর্কে এবং রেংকিং এ এর প্রতিক্রিয়া জানবো।
  • বাছাইকৃত ফলাফলের (Blanded Search) সাথে পরিচিত হবো।
  • সোনালী ত্রিভুজে বাছাইকৃত ফলাফলের কাযর্ক্রম বের করবো।
  • বাছাইকৃত ফলাফলের প্রতিক্রিয়া জানবো।।

আপনার সাইট সঠিক ফলাফলে নিয়ে আসতে হবে
*      আপনার সত্যিকারের চাহিদা অনুযায়ী ট্রাফিক এর সন্ধান।
*      স্প্যাম পরিহার।
*     বিহেবিওরাল সার্চ যেভাবে রেংকিং এ প্রভাব ফেলে।
*     ইনটেন্ট-ড্রাইভেন সার্চ এর পরিচিতি।
*      আপনার সুবিধায় ভার্টিকেল সার্চ ইঞ্জিন।  
*      লোকাল সার্চ রেজাল্ট এ অবস্থান গ্রহন।

ইন্টারনেট যদি একটি মার্কেট হতো, তাহলে গুগোল হতো তার সবচেয়ে বড় দোকান। তুলনামূলক ভাবে, ছোট দোকান হতো ইয়াহু, আস্ক, মাইক্রোসফট লাইভ ইত্যাদি। কিন্তু, একটি মার্কেট এর কাজ শুধু একটি দোকানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অনেক গ্রাহকেরই কোন না কোন পরছন্দের দোকান থাকে। তারা বড়-ছোট নির্বিশেষে সেই পছন্দের দোকান থেকে কেনাকাটা করে। এই অধ্যায়ে আমরা সারচিং এর বিশেষ দোকান এর সাথে পরিচিত হবো। দেখবো, কিভাবে আপনার পণ্য (আপনার ওয়েবসাইট) ওই দোকানে অবস্থান দখল করে।

এখানে আপনি বুঝতে পারবেন যে, আপনার ট্রাফিক এর দৃষ্টিকোণ এ সামান্য পরিবর্তন এনে কিভাবে আপনার পণ্য আপনার কাঙ্ক্ষিত গ্রাহক এর সামনে নিয়ে যাবেন। বিহেবিওরাল এবং ইনটেন্ট-ড্রাইভেন সার্চ রেজাল্ট এর মাধ্যমে আপনার সাইটের প্রতি গ্রাহকের চিন্তা-ভাবনার একটি পরিবর্তন আনতে পারবেন। আপনি আরও জানতে পারবেন যে, কিভাবে লোকাল সার্চ ইঞ্জিনে ভাল অবস্থানে আসতে হয়, এবং কিভাবে প্রধান সার্চ ইঞ্জিনের জন্য একটি পেইড ক্যাম্পেইন শুরু করতে হয়।

*      আপনার চাহিদা অনুযায়ী ট্রাফিক, রেঙ্কিং থেকেও গুরুত্বপূর্ণ
আপনার সাইটকে হাই রেংকিং এ নিয়ে আসার উদ্দেশ্য কি? নিঃসন্দেহে অনেক বেশী ভিজিটর তথা আপনার পণ্য / সেবা এর গ্রাহক পাওয়া। তাই নয় কি? তাহলে আপনার সত্যিকারের লক্ষ্যটি মাথায় রেখে এস ই ও এর কাজ এগিয়ে নিয়ে যান। সার্চ ইঞ্জিনে উচ্চ রেংকিং, আপনার সাইটে অসংখ্য ভিজিটর ভিজিটর পাওয়ার একটি উপায় মাত্র। এই অধ্যায়ে আপনি আপনার সাইটের জন্য রেংকিং থেকেও ট্রাফিককে গুরুত্ব দেয়ার কারনগুলো বুঝতে পারবেন। প্রযুক্তিগত সুবিধা (বিহেবিওরাল সার্চ ইঞ্জিন) আপনার সাইটের উচ্চ রেংকিং এর গুরুত্ব কমিয়ে এনেছে।

*    স্প্যাম পরিহার
সার্চ ইঞ্জিন জগতের প্রতারণাকে স্প্যাম বলে। স্প্যাম হচ্ছে এক ধরনের কৌশল যার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও নিম্নমানের কন্টেন্টকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার চেষ্টা করা হয়। আমরা আগে এস ই ও সম্পর্কে অনেক তথ্য জেনেছি। এখানে আমরা এস ই ও এর একটু অন্য ধরনের প্রকারভেদ সম্পর্কে জানবো। সততা অনুযায়ী এস ই ও ২ প্রকার। যথা, সাদা টুপি এস ই ও (White Hat SEO) এবং কালো টুপি এস ই ও (Black Hat SEO)। সাদা টুপি বা হোয়াইট হ্যাট হচ্ছে গুগোল বা অন্য সকল সার্চ ইঞ্জিন এর নীতিমালা মেনে যে এস ই ও করা হয়। এবং কালো টুপি বা ব্ল্যাক হ্যাট এস ই ও হচ্ছে, কিছু নীতিমালা ভঙ্গ করে কৌশলে সার্চ ইঞ্জিনের চোখ ফাকি দিয়ে উচ্চ রেংকিং এ চলে আসার চেষ্টা করা। এটি হোয়াইট হ্যাট এস ই ও এর তুলনায় সহজ। কিন্তু এ ক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে, চুরি বিদ্যা বড় বিদ্যা, যদি না পড়ে ধরা। গুগোল যদি একবার ব্ল্যাক হ্যাট এস ই ও ট্র্যাক করতে পারে, তাহলে ওই সাইটকে ইনডেক্স থেকে সরিয়ে ব্ল্যাকলিস্ট করে দেয়। যে সাইট একবার গুগোল এর ব্যাকলিস্ট এর পড়ে যায়, সেটি আর এস ই ও করা সম্ভব না। তাই, আমাদের এই ব্যাপার এ সাবধান হওয়া উচিত। স্প্যাম ও ব্ল্যাক হ্যাট এস ই ও এর একটি কৌশল। তাই, আমাদের একটি সযত্নে এড়িয়ে যাওয়া উচিত। 

শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৪

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী - তৃতীয় অধ্যায়

আমরা প্রথম অধ্যায় এ যা যা করেছিলামঃ
  • সার্চ ইঞ্জিনের ব্যাবহারকারিদের চিহ্নিত করেছি।
  • কোন পণ্য / সেবার জন্য কোথায় প্রচার করা উচিত তা জেনেছি।
  • ক্লায়েন্টকে টার্গেট করার পদ্ধতি জেনেছি।
  • এস.ই.ও ফ্রেন্ডলি সাইট তৈরি করার টিপস পেয়েছি।
  • সার্চ ইঞ্জিন এর সাথে আপনার সম্পর্ক তৈরি করার পদ্ধতি জেনেছি।
  • সার্চ ইঞ্জিনগুলোর অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের কথা জেনেছি।
  • অরগানিক এবং পেইড রেজাল্ট সম্পর্কে ধারনা পেয়েছি।
  • ক্রাউলার বা রোবট সম্পর্কে জেনেছি।

এবং দ্বিতীয় অধ্যায় এ যা যা করেছিলামঃ
  • সার্চ ইঞ্জিন সমূহের সাধারণ সংযোগ খুজে বের করেছি।
  • মেজর এবং মিনর সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে জেনেছি
  • অরগানিক,পেইড রেজাল্ট ও ওয়েব ডিরেক্টরি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা পেয়েছি।
  • ইঞ্জিনের মধ্যে উপযুক্ত স্থান খুজে বের করেছি।
  • মেটা সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে ধারনা পেয়েছি।




   সার্চ রেজাল্ট পড়া এবং বুঝতে পারা।
ü      সার্চ ইঞ্জিন এর রেজাল্ট পেইজ পরিচিতি (বিস্তারিত)
ü      সোনালী ত্রিভুজ (Golden Triangle)সম্পর্কে এবং রেংকিং এ এর প্রতিক্রিয়া জানবো।
ü      বাছাইকৃত ফলাফলের (Blanded Search) সাথে পরিচিত হবো।
ü      সোনালী ত্রিভুজে বাছাইকৃত ফলাফলের কাযর্ক্রম বের করবো।
ü      বাছাইকৃত ফলাফলের প্রতিক্রিয়া জানবো।।



এই বইয়ের (সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী) দ্বিতীয় অধ্যায়ে আমরা অরগানিক ও পেইড রেজাল্ট সম্পর্কে জেনেছি। অরগানিক রেজাল্ট সেই লিস্ট আমাদের সামনে উপস্থিত করে, যেটি যোগ্যতা অনুযায়ী অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত। পাশাপাশি পেইড রেজাল্ট (যাকে স্পন্সরড রেজাল্ট বা স্পন্সরড লিংক ও বলা হয়ে থাকে) যেটি নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন হিসেবে প্রকাশিত অবস্থান করে। এই অধ্যায়ে আপনি রেজাল্ট পেইজের বাকি বিষয়গুলো বুঝতে পারবেন। সোনালী ত্রিভুজে বাছাইকৃত ফলাফলের কাযর্ক্রম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা পাবেন। বুঝতে পারবেন কিভাবে বাছাইকৃত ফলাফলের পুরো ব্যাপারটিতে একটি পরিবর্তন নিয়ে এসেছে।
ü      সার্চ ইঞ্জিন এর রেজাল্ট পেইজ পরিচিতি
আগামী ১৪, ফেব্রুয়ারি ভালবাসা দিবস। এই দিনে ভালোবাসার মানুষকে উপহার দেয়ার জন্য একগুচ্ছ গোলাপ এর মত সুন্দর আর কিছুই নেই। হয়তো আপনি ভাবছেন, পৃথিবীতে কত ধরনের গোলাপ আছে, একটু জানা দরকার। ব্যাস, আর কি। হাতের কাছে ইন্টারনেট, একটু গুগোল এ সার্চ করে দেখি। সাথে সাথেই গুগোল সার্চ ইঞ্জিনে Roses লিখে সার্চ করলেন। এই পেইজে আপনাকে গোলাপের উপর অনেক ফলাফল দেখানো হোল। Roses কিওয়ার্ড এর উপর রেংকিং করে বেস্ট সাইটগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপরে এবং নিচে সারিবদ্ধভাবে উপস্থাপন করা হোল। গুগোল এর কাছে যে সাইটকে আপনার সার্চ কুয়েরি (Roses) এর সাথে অধিক সম্পর্কযুক্ত মনে হয়েছে, গুগোল সেটিকেই অগ্রাধিকার দিয়ে আগে প্রকাশ করেছে।

এখন আমরা সার্চ রেজাল্ট পেইজের আরও বিভিন্ন অংশ সম্পর্কে জানবো। নিচের চিত্রে অংশগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তারপর এগুলোর বর্ণনা দেয়া হয়েছে।



সোমবার, ৩১ মার্চ, ২০১৪

মাষ্টার অফ এস ই ও সিরিজ (প্রথম-খণ্ড) সার্চ ইঞ্জিনের কাযর্প্রণালী - দ্বিতীয় অধ্যায়

আমরা আগের অধ্যায় (প্রথম অধ্যায়) এ যা যা করেছিলামঃ
  • সার্চ ইঞ্জিনের ব্যাবহারকারিদের চিহ্নিত করেছি।
  • কোন পণ্য / সেবার জন্য কোথায় প্রচার করা উচিত তা জেনেছি।
  • ক্লায়েন্টকে টার্গেট করার পদ্ধতি জেনেছি।
  • এস.ই.ও ফ্রেন্ডলি সাইট তৈরি করার টিপস পেয়েছি।
  • সার্চ ইঞ্জিন এর সাথে আপনার সম্পর্ক তৈরি করার পদ্ধতি জেনেছি।
  • সার্চ ইঞ্জিনগুলোর অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের কথা জেনেছি।
  • অরগানিক এবং পেইড রেজাল্ট সম্পর্কে ধারনা পেয়েছি।
  • ক্রাউলার বা রোবট সম্পর্কে জেনেছি।
এখন আমরা সার্চ ইঞ্জিনগুলোর সাথে পরিচিত হবো
ü      সার্চ ইঞ্জিন সমূহের সাধারণ সংযোগ খুজে বের করতে হবে।
ü      মেজর এবং মিনর সার্চ ইঞ্জিন এর সাথে পরিচিত হবো।
ü      ইঞ্জিনের মধ্যে উপযুক্ত স্থান খুজে বের করতে হবে।
ü      মেটা সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে ধারনা লাভ করবো।

একটি সার্চ ইঞ্জিন সবসময় ব্যাবহারকারির চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফলাফল দেখানোর চেষ্টা করে। তারা আপনাকে (ব্যাবহারকারিকে) খুশি করার চেষ্টা করে। কারন, আপনি যা খুজছেন সেটা যদি সহজে পেয়ে যান, তাহলে আপনি তাদের সাইটে আবার আসবেন। আপনি যত বেশী তাদের সাইটে আসবেন, তাদের তত বেশী আয় হবে। অর্থাৎ আপনার উপকার করে তাদের নিজেদেরও উপকার হচ্ছে। কবি কি আর সাধে বলেছেন যে, সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।

এই অধ্যায়ে আমরা প্রধান (Major) সার্চ ইঞ্জিনগুলোর সাথে পরিচিত হবো, এবং তাদের মিল ও পার্থক্যগুলো খুজে বের করবো। জানব, কিভাবে একটি ডিরেক্টরি কাজ করে। অরগানিক এবং পেইড রেজাল্ট এর সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা পাবো। এবং জানবো, কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন তাদের অরগানিক রেজাল্ট প্রদর্শন করে? পাশাপাশি আপনি সার্চ ইঞ্জিন এর পেইড প্রোগ্রাম সম্পর্কে জানব এবং বুঝতে পারবো, এস.ই.ও এর জন্য মেটা সার্চ ইঞ্জিন কতোটা গুরুত্বপূর্ণ।



ü      সার্চ ইঞ্জিন সমূহের সাধারণ সংযোগ খুজে বের করাঃ
সার্চ ইঞ্জিন তার ফলাফলকে প্রাসঙ্গিক রাখার জন্য সকল ওয়েবসাইট এর মূল বিষয় সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়। আপনার সাইট খুজে পেতে আপনি সার্চ ইঞ্জিনকে সাহায্য করতে পারেন তিনটি বিষয়ের মাধ্যমে, যেগুলো সকল সার্চ ইঞ্জিন খোজ করে।

 ১। বস্তু (Content) একটি ওয়েবসাইট এর প্রান হচ্ছে ওই সাইটের কন্টেন্ট বা বস্তু। কন্টেন্ট হচ্ছে ওয়েবসাইটে অবস্থিত সকল তথ্য। এখানে তথ্য বলতে শুধু লেখা (Text) বোঝানো হয়নি। ছবি, ভিডিও, অডিও, ইন্টারএকটিভ টেকনোলজি ইত্যাদি সবকিছুকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ যা কিছু ওয়েব স্পেস দখল করে থাকে, সবই কন্টেন্ট। আপনি বলতে পারেন, কন্টেন্টকে ওয়েবসাইটের প্রান বললাম কেন? আপনি একটি দোকান দিয়ে বসলেন।ভাল লোকেশনে দোকান নিলেন। দোকান খুব সুন্দর করে সাজালেন। প্রচারনাও করলেন। কিন্তু, দোকানে কোন পণ্য নেই। তাহলে, বাকি সব কিছুর কি কোন অর্থ আছে? তেমনি ভাবে আপনার সাইট যত সুন্দর ও আকর্ষণীয় হোক না কেন, মানসম্মত কন্টেন্ট না থাকলে এসবের কোন মূল্য নেই। এবার ধরুন, আপনি একটি জুতা দোকান খুললেন। সব কিছু করলেন। তারপর সেই দোকান এ জুতা না রেখে শার্ট রাখলেন। ফলাফল কি হবে জানেন? আপনার দোকানে ক্রেতা আসবে, কিন্তু, বিক্রয় হবে না। কারন, আপনার জুতার প্রচারনা / বিজ্ঞাপন দেখে জুতা কেনার কাস্টমার আপনার দোকানে এসেছে আর শার্ট কেনার কাস্টমার অন্য দোকানে চলে গেছে। আমার মেসেজ কি আপনার কাছে পরিস্কার? অর্থাৎ আমি বোঝাতে চেয়েছি যে, আপনার সাইটের ক্যাটাগরি, কিওয়ার্ড ইত্যাদির সাথে কন্টেন্ট মিল থাকতে হবে। আপনার সাইটে প্রচুর কন্টেন্ট থাকলে সার্চ ইঞ্জিনও এটিকে ভাল চোখে দেখবে। যত বেশী (সামঞ্জস্যপূর্ণ) কন্টেন্ট থাকবে, ততই এস.ই.ও এর কাজ এগিয়ে থাকবে।

২। জনপ্রিয়তা (Popularity) – জনপ্রিয়তা বিষয়টি বোঝানোর জন্য আমি আপনাদের হাই স্কুল এ ফিরিয়ে নিয়ে যাব। একটি স্কুল এ কোন ছাত্রটি বেশী জনপ্রিয়? যাকে অনেকেই চেনে। যার সম্পর্কে অনেকেই অনেক সময় (ইতিবাচক) আলোচনা করে। এস.ই.ও এর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা অনেকটা এরকম। কতটি ওয়েবসাইটে আপনার সাইটের লিংক দেয়া আছে, এবং আপনার সাইট এ কতটি অন্য সাইটের লিংক দেয়া আছে, সেটি গুগোল পরিমাপ করে আপনার সাইটের জনপ্রিয়তা মূল্যায়ন করে।

৩। স্থাপত্য (Architecture)- আপনি একটি মুদি দোকানে ঢুকে যদি দেখেন সব পণ্য তাকের মধ্যে এলোমেলো ভাবে সাজানো,তাহলে আপনার পক্ষে আপনার কাঙ্ক্ষিত পণ্য খুজে বের করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। হয়তোবা আপনি ওই দোকান এ খোঁজাখুঁজি করা বাদ দিয়ে অন্য একটি দোকানে চলে যাবেন, যেখানে সব গোছানো আছে। ক্রাউলার ও ঠিক একই কাজটি করে। আমরা আগেও বলেছি যে, সার্চ ইঞ্জিন উইকিপিডিয়াকে পছন্দ করে এর নির্মাণ কৌশল এর কারনে। এটা সার্চ করার মত লেখায় পরিপূর্ণ। ছবিগুলোতে Alt ট্যাগ ব্যাবহার করা হয়েছে।পেইজের হাইপারলিংক গুলো ও (permalink) কিওয়ার্ড ধারন করে।


সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট ক্রাউলিং করার সময় যেসব ভেরিয়েবল (২০০ এর ও বেশী) এনালাইজ করে, তার মধ্যে তাৎক্ষনিক দুইটি ভেরিয়েবল এর উপর আপনার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। একটি হচ্ছে, আপনার সার্ভার কতোটা দ্রুত। কত অল্প সময়ে আপনার সাইটের প্রতিটি পেইজ লোড হয়। আপনার সার্ভার যদি প্রতি সেকেন্ড এ একটি করে পেইজ লোড করে, তাহলে গুগোল বুট এটিকে খুবই স্লো সার্ভার হিসেবে চিহ্নিত করবে। আমাদের কাছে যদিও এক সেকেন্ড খুবই কম সময়, কিন্তু ক্রাউলার এর হিসেবে ১ সেকেন্ড এ ৫-৭ টি পেইজ লোড হওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। একটি পেইজ লোড করতে যদি ১ সেকেন্ড এর ও বেশী সময় লাগে, তাহলে ভেবে দেখুন ১০,০০০ পেইজ ক্রাউল করতে ক্রাউলার এর কত সময় লাগবে? তাছাড়া, সার্ভার ক্রাশ এর হাত থেকে বাঁচতে ক্রাউলার কয়েক পেইজ করে ভাগে ভাগে ক্রাউল করে। এই কারনে একটি দ্রুতগতিতে লোড হওয়া সাইট, ধীরগতিতে লোড হওয়া সাইট থেকে বেশী অগ্রাধিকার পায়।এখানে সুযোগ হচ্ছে,দ্রুতগতির সার্ভারের সাইট বুট/ক্রাউলার খুব ভালভাবে ইনডেক্স করে।
দ্বিতীয় ভেরিয়েবলটি খুবই প্রতিযোগিতাপূর্ণ। সার্চ ইঞ্জিন একটি বিষয় দ্বারা খুবই প্রভাবিত হয়, সেটি হোল, বাউন্স রেট (Bounce Rate) । বাউন্স হচ্ছে, যখন কোন একজন ভিজিটর গুগোলে সার্চ করে আপনার সাইটে ঢুকে সাথে সাথেই ব্যাক বাটন চেপে পেছনে, অর্থাৎ সার্চ রেজাল্ট পেইজে চলে গেছে। সার্চ ইঞ্জিন খুব ভালভাবেই এটি চিহ্নিত করে, যখন ইউজার সার্চ করে আপনার সাইটে এসে খুব অল্প সময়েই অন্য সাইটে চলে যায়। এসব ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন ধরে নেয় যে, আপনার সাইটে পরিপূর্ণ কন্টেন্ট নেই। মনে রাখবেন, ইঞ্জিন সবসময় সার্চ কুয়েরির সাথে ফলাফলের সামঞ্জস্য রাখে,এবং এই বিষয়ের উপর আপনার রেংকিং অনেকাংশে নির্ভর করে।

তাহলে, সব সার্চ ইঞ্জিন যদি এই বিষয়গুলো খেয়াল করে, তাহলে ইয়াহু বা গুগোল এ কি আলাদাভাবে কাজ করতে হবে? হ্যাঁ, কারন প্রত্যেকটি সার্চ ইঞ্জিন এর সতন্ত্র এলগরিদম রয়েছে। যদিও তারা অভ্যন্তরীণ তথ্য শেয়ার করে, তথাপি তাদের প্রদর্শনের নিজ নিজ পদ্ধতি রয়েছে। গুগোলে যে সাইট (একটি নির্দিষ্ট সার্চ কুয়েরিতে) প্রথমে শো করে, সেটি ইয়াহুতে প্রথম ১০ টি সাইটের মধ্যে ও না দেখাতে পারে।

প্রধান (Major) ইঞ্জিনগুলোর পরিচিতিঃ
প্রধান সার্চ ইঞ্জিনগুলোর সাথে পরিচিত হওয়ার সময় এখনি। আমরা আগে বলেছিলাম যে, এরা প্রত্যেকে কিছুটা আলাদাভাবে সামঞ্জস্যতা খোঁজে। যেমন, গুগোল ইয়াহু থেকে বেশী কিওয়ার্ড এর সাথে মিল খোঁজে। তাই, একই সার্চ কুয়েরির জন্য ইয়াহু এবং গুগোলের রেজাল্ট পেইজ সাধারনত সম্পূর্ণ আলাদা হয়। একটি সার্চ ইঞ্জিন প্রয়োজন ছাড়া অন্য সার্চ ইঞ্জিন থেকে উন্নত হয়না। এই কারনেই, আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনার বিষয়ের জন্য কোন সার্চ ইঞ্জিন ভাল হবে। এটি নির্ভর করবে, আপনি কি খুজছেন এবং কি খুজে পেয়েছেন তার উপর।

Sponsored Ads:

Blogger Maruf Apps Tunes Islamer Alo BD Amader Blog
PDF Tutorial Zone